ত্রাণ নয় টেঁকসই বাঁধ চাই; জোয়ার-ভাটার সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে তিন শতাধিক পরিবার | আপন নিউজ

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
সহাবস্থানের বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান এমপি এবিএম মোশাররফ হোসেন কলাপাড়ায় গৌরবোজ্জ্বল ৯৯ এর নতুন কমিটি গঠন উত্তর চাকামইয়া মানবিক সোসাইটির ঈদ উপহার বিতরণ গাছের সাথে বেঁ’ধে পিটু’নি: কলাপাড়ায় প্রাণ গেল মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের রাঙ্গাবালীতে বিএনপি’র দুই পক্ষের মধ্যে সং’ঘ’র্ষ: আ’হ’ত-১৫ তালতলীতে জমি দ’খ’ল করতে শতাধিক ভাড়াটিয়া স’ন্ত্রা’সী বা’হিনী এনে ঘর নির্মাণ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান পেল আমতলীর ১৬৫ পরিবার কুয়াকাটায় ঈদ উপলক্ষে ৫ হাজার নারীর মাঝে শাড়ি বিতরণ করলেন সাবেক পৌর মেয়র আনোয়ার সংবাদ প্রকাশের জেরে কুয়াকাটায় সাংবাদিককে হ’ত্যা’র হু’ম’কি, থানায় জিডি কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
ত্রাণ নয় টেঁকসই বাঁধ চাই; জোয়ার-ভাটার সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে তিন শতাধিক পরিবার

ত্রাণ নয় টেঁকসই বাঁধ চাই; জোয়ার-ভাটার সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে তিন শতাধিক পরিবার

আমতলী প্রতিনিধিঃ ঘুর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে পায়রা নদী সংলগ্ন আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া এলাকার এক কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে তিন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ওই তিন গ্রামের তিন শতাধিক পরিবারের ঘর-বাড়ী,পুকুর, মাছের ঘের ও ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। ঘর ভেঙ্গে গেছে। তারা এখন জোয়ার -ভাটার সঙ্গে যুদ্ধ করে দিনাতিপাত করছে। তাদের দাবী ত্রাণ নয়, টেকসই বাঁধ চাই। 

জানাগেছে, ঘুর্ণিঝড় রেমালের তান্ডবে পায়রা নদী সংলগ্ন আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া এলাকার এক কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে যায়। এতে পানি প্রবেশ করে ঘোপখালী, উত্তর ঘোপখালী ও পশুরবুনিয়া গ্রাম তলিয়ে গেছে। ওই তিন গ্রামের মানুষ পানিতে ভাসছে। তাদের ঘর-বাড়ী ও পুকুর পানিয়ে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। তিন শতাধিক পরিবারের ঘর-বাড়ী পানির নিচে রয়েছে। তারা জোয়ার-ভাটার সঙ্গে যুদ্ধ করে জীবন যাপন করছে। তাদের দাবী ত্রাণ নয় টেকসই বাঁধ চাই। অভিযোগ রয়েছে ভাঙ্গণ কবলিত পশুবুনিয়া এলাকায় গত সিডরের পর থেকে টেকসই বাঁধ নির্মাণ করেনি। দায়সারা বাঁধ নির্মাণ করে দেয়। ওই বাঁধ একটু বন্যা হলেই ভেঙ্গে যায়। প্রতিবছরই ওই এলাকাবাসীর বন্যা সঙ্গে যুদ্ধ করে চলতে হয়। তাই তাদের দাবী নরবড়ে বাঁধ ও ত্রাণ নয় টেকসই বাঁধ চাই।

পশুরবুনিয়া গ্রামের আব্দুর রশিদ তালুকদার, মন্নান ফকির ও শাহিনুর বেগম বলেন, নতুন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে পানিতে সব তলিয়ে গেছে। ঘুণিঝড় সিপরের পর থেকেই পানি উন্নয়ন বোর্ড দায়সারা বাঁধ নির্মাণ করে। ওই বাধ বেশী দিন টিকেনা।

জাফর তালুকদার, আহসান চৌকিদার, মন্নান ফকির, সাইদুর রহমান, নেছার জোমাদ্দার বলেন, বন্যা হলেই প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা ত্রাণ নিয়ে আসেন। দুই দিন পরে আর তাদের দেখা মেলে না। টেকসই বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ না থাকায় আমরা সারা বছর জোয়ার-ভাটার সঙ্গে যুদ্ধ করে থাকতে হয়। যদি সরকার টেকসই বাঁধ নির্মাণ করতো তাহলে আজ এ অবস্থা হতো না। প্রতিবছর পানি উন্নয়ন বোর্ড দায়সারা বাঁধ দেয়। ওই বাঁধ একটু জোয়ার হলেই ভেঙ্গে যায় আর এলাকার তিন গ্রামের মানুষ ভীষণ কষ্ট করি। আমরা ত্রাণ চাইনা। আমরা টেকসই বাঁধ চাই।  পরিবার পরিজন নিয়ে ভালো ভাবে বেঁচে থাকতে চাই।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকেীশলী মোঃ রাকিব মিয়া বলেন. পশুরবুনিয়া ভাঙ্গণ কবলিত এলাকায় ইতিমধ্যে প্রকল্প নেয়া হয়েছে। নদী ভাঙ্গণ থেকে ওই এলাকা রক্ষায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। শুকনো মৌসুমে টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!